ভারতের ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এর জেরে শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে গত ২৫ জুলাই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভুবনেশ্বরের জিএম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, নিট আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মকে কিছু মানুষ রাজনৈতিক স্বার্থে উস্কে দিয়েছিল। তিনি বলেন, জেন জি বা আজকের তরুণরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাকে ব্যবহার করে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, পদের প্রতি মোহের চেয়ে দেশের স্বার্থ ও দায়বদ্ধতাকে বড় করে দেখে তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক বিতর্ক
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানের পর রায়রাখোলে একটি জনসভায় অংশ নেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানে তিনি ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের দলের বিরুদ্ধে সরব হন। সম্প্রতি বিমানবন্দরে তাকে নিয়ে হওয়া বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এসব কর্মকাণ্ড ওড়িশার সুনামের পরিপন্থী। যেকোনো প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি জনসেবা চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সম্বলপুর জেলা বিজেডি সভাপতি রোহিত পূজারী অভিযোগ করেছেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের কারণেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এখন তিনি নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বিজেডির ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্বলপুর পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং বেশ কয়েকজন বিজেডি কর্মীকে আটক করেছে।