ঢাকাTuesday , 1 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সুনামগঞ্জে হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও শ্রম মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি


September 1, 2026 4:45 am
Link Copied!

বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে সরকার ঘোষিত সর্বনিম্ন মজুরি বাস্তবায়ন, শ্রম আইন কার্যকর এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিক সংগঠন। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
স্মারকলিপি প্রদানের আগে সোমবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ শহরের রায়পাড়ায় অবস্থিত সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে শ্রমিকরা লাল পতাকা ও ব্যানার নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এরপর আলফাত উদ্দিন চত্বরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জ জেলা হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুরঞ্জিত দাস। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এবং দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

শ্রমিকদের দাবি ও বর্তমান পরিস্থিতি
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ২০২৩ সালে সর্বনিম্ন মজুরির গেজেট প্রকাশ হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র প্রদান ও ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত না করে শ্রমিকদের দিয়ে ১২-১৩ ঘণ্টা কাজ করানো হচ্ছে। স্মারকলিপিতে ঢাকার স্টার কাবাবের চার শ্রমিকসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং রংপুরে শ্রমিক শাওন হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

প্রধান দাবিগুলো হলো:
১. অবিলম্বে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারি খাতে ঘোষিত সর্বনিম্ন মজুরি বাস্তবায়ন করা।
২. শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই প্রদান এবং ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করা।
৩. আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ।
৪. কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।
৫. সারা দেশে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা।
৬. নিহত শ্রমিক শাওনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।