বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশে চলমান লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের বোঝা এখন শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ঢাকার মানুষ বর্তমানে তুলনামূলক বেশি লোডশেডিং লক্ষ্য করছেন।
উপদেষ্টা জানান, অতীতে ঢাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ বেশি দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে সংকটের বোঝা সবার মধ্যে সমানভাবে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বড় শহরগুলোতে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকলেও, সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতিতে এখন লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।
জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতাকে এই সংকটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে আনতে ডিপিডিসি ও ডেসকো এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ সমন্বয় করা হয়েছে। ভবিষ্যতে গত সরকারগুলোর আমলে প্রকৃত লোডশেডিংয়ের তথ্যও প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ডেনমার্কের সহায়তায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।