যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে সফলভাবে পর্দা নেমেছে ২০২৬ কমনওয়েলথ গেমসের। ১১ দিনের এই আসরে ৬৭৪টি পদকের জন্য লড়াই করেছেন অ্যাথলেটরা। এই গেমসকে ইভেন্টটির প্রাণ বাঁচানোর একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে আসরটি শেষ হওয়ার পরও এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন পুরোপুরি কাটেনি বলে মন্তব্য করেছেন ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী রঘু আইয়ার। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, পরবর্তী আসর নিয়ে কোনো গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব নয়।
২০২৬ গেমসের আয়োজক হওয়ার আগে ভিক্টোরিয়া দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর গ্লাসগো অনেকটা জরুরি ভিত্তিতে এই আসর আয়োজনের দায়িত্ব নেয়। আয়োজকদের মতে, গত ১১ দিন গ্লাসগোতে যা ঘটেছে তা সব প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে এবং গেমসের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। জশ কার, আঙ্গারাড ইভান্স ও নীল ফ্যাচির মতো অ্যাথলেটদের সাফল্য দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
আয়োজকরা দাবি করেছেন, গেমসের প্রচারণায় সোশ্যাল মিডিয়া ভিউ অনেক বেড়েছে এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের টিভি দর্শক সংখ্যা রেকর্ড গড়েছে। তবে যুক্তরাজ্যে এর প্রচার সীমিত থাকায় বড় একটি অংশ এই আসর থেকে দূরে ছিল। এছাড়া বড় মাপের অনেক অ্যাথলেটের অনুপস্থিতি গেমসের জৌলুস কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।
২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের শতবর্ষী আসর অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আহমেদাবাদে। এর মূল ভেন্যু হিসেবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করা হবে। গ্লাসগোর ১৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাজেটের তুলনায় আহমেদাবাদের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ ধরা হয়েছে। নতুন ভেন্যুতে ক্রিকেট, শুটিং, আর্চারি ও হকির মতো খেলাগুলো ফিরতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ সামাল দেওয়াটাই এখন বড় মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে আয়োজকদের কাছে।