ঢাকাFriday , 4 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ডেমোক্র্যাটদের জন্য হাসান পাইকারের প্রভাব ক্ষতিকর হতে পারে: স্টিফেন এ স্মিথ


September 4, 2026 4:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে জনপ্রিয় অনলাইন স্ট্রিমার হাসান পাইকারের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রভাব ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য নির্বাচনে নেতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইএসপিএন-এর জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব স্টিফেন এ স্মিথ। ‘দ্য কনভারসেশন উইথ ডাশা বার্নস’ অনুষ্ঠানে স্মিথ মন্তব্য করেন যে, পাইকারের বিতর্কিত মতাদর্শ দলের ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলছে এবং এটি শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের জন্য বুমেরাং হতে পারে।

স্মিথের ভাষ্যমতে, হাসান পাইকারের রাজনৈতিক পদচিহ্ন ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী প্রচারণাকে সংকটে ফেলতে পারে। তিনি মনে করেন, পাইকারের উগ্র বাগাড়ম্বর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভোটারদের ভেতর বিভাজন তৈরি করছে, যা সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য বাড়তি সুবিধা বা প্রচারণার অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে।

মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক দল থেকে সিনেট মনোনয়ন পাওয়া আব্দুল এল-সায়েদ সরাসরি হাসান পাইকারের সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি (আরএনসি) এর তীব্র সমালোচনা করেছে। আরএনসির পক্ষ থেকে এল-সায়েদকে চরমপন্থীদের সমর্থক হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করেছে, পাইকারের মতো বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব বা আদর্শিক সংকটের প্রমাণ।

তবে আব্দুল এল-সায়েদ তার অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন, হাসানের প্রায় ৩০ লাখ শ্রোতা রয়েছে এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করতেই তিনি এই কৌশলী পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি মূলত হাসান পাইকারের ব্যক্তিগত সমর্থক নন, বরং তার অনুসারীদের ভোট ব্যাংক নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছেন।

ফক্স নিউজের সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ৫১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন, যেখানে এল-সায়েদের সমর্থন ৪৭ শতাংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাইকারের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং তার অতীতের বিতর্কিত মন্তব্যগুলো এল-সায়েদের প্রচারণায় বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাকে নিয়ে সংশয় সৃষ্টি করছে।