ঢাকাThursday , 6 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

অভিবাসী শিশুদের আইনি সহায়তায় টেক্সাসের বিতর্কিত ফার্মকে ১৫ কোটি ডলারের চুক্তি


August 6, 2026 10:30 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত বার্ক ল গ্রুপ নামের একটি ছোট আইন সংস্থাকে অভিভাবকহীন অভিবাসী শিশুদের আইনি সহায়তার জন্য ১৫ কোটি ডলারের চুক্তি প্রদানের পরিকল্পনা করেছে মার্কিন সরকার। ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় থাকা এই শিশুদের আইনি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য সরকার এই অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। কয়েক দশক ধরে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অভিভাবকহীন অবস্থায় আসা শিশুদের শোষণ, নির্যাতন ও পাচার থেকে রক্ষা করা সরকারের আইনি বাধ্যবাধকতা।

চুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এই আইন সংস্থাটি মূলত পরিবেশ ও নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত জটিল বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে। তাদের ২৪ জন আইনজীবীর মধ্যে মাত্র দুইজন অভিবাসন ও আশ্রয় বিষয়ক মামলায় দক্ষ। ফ্লোরেন্স ইমিগ্র্যান্ট অ্যান্ড রিফিউজি রাইটস প্রজেক্টের উপ-পরিচালক রোক্সানা আভিলা-সিম্পিয়ানু এই চুক্তির সমালোচনা করে জানান, শিশুদের কল্যাণে কাজ করার পরিবর্তে সরকার এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিচ্ছে, যাদের অভিবাসন আইন বা শিশু কল্যাণ নিয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা নেই।

বার্ক ল গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্সেলা বার্ক প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময় স্বরাষ্ট্র বিভাগ ও এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সিতে (ইপিএ) কাজ করেছেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জেফরি হল বর্তমানে ইপিএ-তে সহকারী প্রশাসক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এই নিয়োগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এর আগে প্রায় ১০০টি অলাভজনক আইনি সংস্থার সঙ্গে সরকারের যে চুক্তি ছিল, তা গত জুলাই মাসের শেষে শেষ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত নভেম্বর থেকে ওই সংস্থাগুলোকে অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেয়, কারণ তারা শিশুদের গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছিল। বর্তমানে এই নতুন চুক্তির কারণে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিবাসন অধিকার কর্মীরা। তবে এইচএইচএস শেল্টারের বাইরে থাকা প্রায় ২২ হাজার শিশুর আইনি সহায়তা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।