ঢাকাThursday , 6 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

পিটিএসডি রোগীদের দুঃস্বপ্ন কমাতে কার্যকর টিএইচসি ওষুধ


August 6, 2026 7:45 pm
Link Copied!

জার্মানির বার্লিনের শারিটে-ইউনিভার্সিটিজমেডিক্যাল সেন্টারের গবেষকরা পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে (পিটিএসডি) আক্রান্ত রোগীদের দুঃস্বপ্ন কমানোর নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণার প্রধান অধ্যাপক স্টেফান রপকে জানিয়েছেন, টিএইচসি সমৃদ্ধ ওষুধের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি পেয়েছেন, যা এই রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন।

গবেষণার পটভূমি
পিটিএসডিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই দুর্ঘটনার স্মৃতি বা ভয়াবহ অভিজ্ঞতার দুঃস্বপ্ন দেখে থাকেন, যা তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নেয় এবং মানসিক অবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তোলে। প্রচলিত অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধগুলো এই দুঃস্বপ্ন কমাতে খুব একটা কার্যকর নয়। গবেষকরা এজন্য ক্যানাবিসের অন্যতম উপাদান টিএইচসি ব্যবহার করে ড্রোনাবিনল নামক ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছেন।

গবেষণার ফলাফল
প্রায় ১৭০ জন পিটিএসডি রোগীর ওপর ১০ সপ্তাহ ধরে এই পরীক্ষা চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ড্রোনাবিনল গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি রোগী দুঃস্বপ্ন থেকে পুরোপুরি মুক্ত হয়েছেন। এছাড়া ২১ শতাংশ রোগীর দুঃস্বপ্নের মাত্রা আগের চেয়ে অর্ধেকে নেমে এসেছে। অধিকাংশ রোগী জানিয়েছেন যে, এই ওষুধের ব্যবহারে তাদের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

সুরক্ষা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গবেষণায় কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা আসক্তির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মৃদু মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার মতো সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও সেগুলো নিয়ন্ত্রণে ছিল। গবেষকরা জানিয়েছেন, টিএইচসি সরাসরি শরীরের এন্ডোকানাবিনয়েড সিস্টেমের ওপর কাজ করে ঘুমের মান উন্নত করে এবং আবেগের স্মৃতি প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ভবিষ্যৎ করণীয়
এই চিকিৎসা পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর এবং সহনশীলতা তৈরির ঝুঁকি আছে কি না, তা নিয়ে পরবর্তী গবেষণার পরিকল্পনা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সম্মিলিত এই প্রয়াস ভবিষ্যতে পিটিএসডি রোগীদের জন্য নতুন চিকিৎসা পথ উন্মোচন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।