যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক পোর্টাল হেলথ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস হলো মেরুদণ্ডের এক ধরনের প্রদাহজনিত বাত। এই রোগে আক্রান্তদের মেরুদণ্ডের কশেরুকাগুলো একে অপরের সাথে জুড়ে যেতে পারে, যা মেরুদণ্ডকে শক্ত ও নমনীয়তাহীন করে ফেলে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বংশগত জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক প্রক্রিয়ার কারণে এই রোগ দেখা দিতে পারে। রোগটি দ্রুত শনাক্ত করা এবং সঠিক চিকিৎসার আওতায় আসা মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের কারণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচএলএ-বি২৭ (HLA-B27) নামক একটি নির্দিষ্ট জিনের উপস্থিতি এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে এই জিন থাকলেই যে কেউ আক্রান্ত হবে তা নিশ্চিত নয়, বরং পরিবেশগত কিছু প্রভাব এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুলবশত মেরুদণ্ডের জয়েন্টগুলোকে আক্রমণ করার ফলেই এই প্রদাহের সৃষ্টি হয়।
শারীরিক প্রভাব
এই রোগের ফলে মেরুদণ্ডের নিচ থেকে ব্যথা শুরু হয়ে তা ক্রমান্বয়ে ঘাড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মেরুদণ্ডের হাড়গুলো একে অপরের সাথে শক্তভাবে লেগে যেতে পারে, যা রোগীর চলাফেরার ক্ষমতা সীমিত করে দেয়। ঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করতে না পারলে শরীরের অন্যান্য জয়েন্টেও এর প্রভাব পড়তে পারে।