বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন, যেখানে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে। শিক্ষা খাতের সামগ্রিক মানদণ্ড বুঝতে এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন, যা ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে।
জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছেলেদের তুলনায় ১১ হাজার ৪০১ জন বেশি ছাত্রী এই সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন করেছে।
সার্বিক ফলাফলের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা উভয়ই কমেছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের মতোই এবারও পাসের হার, উত্তীর্ণের সংখ্যা এবং জিপিএ-৫—এই তিনটি সূচকেই ছাত্রীরা ছেলেদের চেয়ে ভালো ফলাফল করেছে।