যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিলিংটন সাইবার সিকিউরিটি সামিটে প্রতিরক্ষা দপ্তরের উপ-প্রধান সাইবার উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল উইলিয়াম উইলবার্ন জানিয়েছেন, পেন্টাগনের আসন্ন সাইবার কৌশলটি মূলত আক্রমণাত্মক অভিযানের মাধ্যমে বড় ফলাফল অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষা সচিবকে আরও শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সামরিক বিকল্প প্রদান করাই এই কৌশলের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উইলবার্ন বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজেই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এমন আক্রমণাত্মক সক্ষমতা গড়ে তোলা যা কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করবে। তিনি আরও জানান, বর্তমান কৌশলের মূল দর্শন হলো কোনো সংকট বা সংঘাতের সময় দেশটির শীর্ষ নেতাদের হাতে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী বিকল্প তুলে দেওয়া।
২০২৩ সালে জো বাইডেন প্রশাসনের সাইবার কৌশল প্রকাশের পর এটিই হতে যাচ্ছে পেন্টাগনের প্রথম বড় কোনো কৌশলগত নথিপত্র। এই নতুন কৌশলে সাইবার বাহিনীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ভূমিকা এবং বেসরকারি কোম্পানির সম্পৃক্ততার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকছে। এছাড়া, সাইবার কার্যক্রমকে আরও সংঘাতপূর্ণ এবং প্রভাবশালী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
২০১৮ সাল থেকে পেন্টাগন ‘পার্সিস্টেন্ট এনগেজমেন্ট’ বা অবিরাম সম্পৃক্ততার ধারণা অনুসরণ করে আসছে। নতুন কৌশলে এই ধারণার পাশাপাশি আরও আগ্রাসী বা সরাসরি মুখোমুখি হওয়ার মনোভাব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। উইলবার্ন জোর দিয়ে বলেন, এই পরিকল্পনা শুধুমাত্র কাগজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের একটি কার্যকর অ্যাকশন প্ল্যান হিসেবে কাজ করবে।