যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাশন ম্যাগাজিন হু হোয়াট ওয়ের-এর জ্যেষ্ঠ সম্পাদক আনা লাপ্লাকা ২০২৬ সালের শরৎকালীন জুতার ট্রেন্ড নিয়ে তার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। ফ্যাশন সচেতনদের জন্য এই নতুন ট্রেন্ডগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো আগামী মৌসুমের স্টাইল নির্ধারণ করবে। লাপ্লাকার মতে, ফ্যাশন একটি চক্রাকার বিষয়, তাই কিছু পুরনো শৈলী হারিয়ে গিয়ে নতুন নকশার জুতা প্রাধান্য পেতে শুরু করেছে।
শরত্কালের নতুন ট্রেন্ড
ফ্যাশন বিশ্লেষক জানিয়েছেন, বর্তমানে সাটিনের তৈরি জুতা, আধুনিক ঘরানার ওয়েস্টার্ন বুট, ডার্বি শু এবং আকর্ষণীয় কারুকার্যময় জুতা ট্রেন্ডে এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া কুমির বা ক্রক এমবসিংয়ের পরিবর্তে ইল (Eel) এমবসিংয়ের জুতা ও অ্যাথলেটিক স্নিকার্সের জায়গায় ব্যালে স্নিকার্স জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসছে। পাশাপাশি হাই-ভ্যাম্প হিল বা উঁচু ভ্যাম্পের জুতাগুলো মেরি জেন হিলের জায়গা দখল করছে।
বর্জনীয় ফ্যাশন
ফ্যাশন সচেতনরা এখন পেটেন্ট ফিনিশের জুতা, ভারী ও বড় আকারের (চঙ্কি) বুট, লুগ-সোল লোফার এবং স্টাডস বা গ্রোমেট অলঙ্কৃত জুতা থেকে দূরত্ব বজায় রাখছেন। এছাড়া ক্রক এমবসিং এবং প্রচলিত অ্যাথলেটিক স্নিকার্সও ফ্যাশন সচেতনদের পছন্দের তালিকা থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
যারা সব সময় নতুন ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চান, তাদের জন্য এই পরিবর্তনগুলো বোঝা জরুরি। ডিজাইনার কালেকশনে এই নতুন রূপগুলো ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। লাপ্লাকার মতে, আসন্ন শরৎকালে নতুন ট্রেন্ডের এই জুতাগুলোই ফ্যাশন দুনিয়ায় প্রভাব বিস্তার করবে।