বাংলাদেশের ঢাকার সূত্রাপুরে একটি মোটর পার্টসের দোকানে অস্ত্র রেখে ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর পরিকল্পনার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, মার্কেটের দখল ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এই সাজানো তল্লাশির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণ
বুধবার বিকেলে তুরাগ থানার দিয়াবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি এবং সূত্রাপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে সূত্রাপুরের নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেটে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে পুলিশ সদস্যরা বের হওয়ার সময় মুখোশ পরা দুই ব্যক্তি ‘ভূঁইয়া মোটরস’ নামের একটি দোকানে দুটি কার্টন রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। দোকানের কর্মচারীদের তথ্যের ভিত্তিতে কার্টন দুটি তল্লাশি করে দুটি দেশীয় পাইপগান ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত ও গ্রেফতার
পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, স্থানীয় ‘টয়োটা প্লাস’ নামের একটি দোকান থেকে এই অস্ত্রগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং একটি মিতসুবিশি পাজেরো গাড়ি ব্যবহার করে সেগুলো ভূঁইয়া মোটরসে রাখা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পর বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ব্যারিস্টার মো. জাকি উল্ল্যাহ বাহার, মো. আনোয়ারুল হক, জাকির হোসেন লিটন, হিরু বড়ুয়া এবং সরদার সাইদুর রহমান তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তী পদক্ষেপ
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে অপরাধীদের মূল পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।