যুক্তরাজ্যের চ্যানেল আইল্যান্ডের জার্সিতে গত এক বছরে কর্মীদের গড় প্রকৃত আয় ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে। স্ট্যাটিস্টিকস জার্সির তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই হিসাব করা হয়েছে। এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দ্বীপটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং কর্মীদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবকে তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে পূর্ণকালীন কর্মীদের গড় আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.১ শতাংশ বেশি ছিল। তবে দ্বীপটির বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হার ২.৮ শতাংশ বাদ দিলে প্রকৃত আয়ের বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১.২ শতাংশে।
এই বৃদ্ধির হার গত পাঁচ বছরের বার্ষিক গড়ের চেয়ে কম। এছাড়া ১৯৯১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী বার্ষিক গড় ৪.২ শতাংশের চেয়েও এটি কিছুটা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সরকারি এবং বেসরকারি খাতের আয়ের মধ্যে কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। গত ১২ বছরে বেসরকারি খাতে প্রকৃত আয় ০.৯ শতাংশ এবং সরকারি খাতে ২.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে দীর্ঘ ২৫ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সরকারি খাতে প্রকৃত আয় ৩ শতাংশ কমেছে, যেখানে বেসরকারি খাতে তা ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্ট্যাটিস্টিকস জার্সির প্রধান পরিসংখ্যানবিদ আয়ান কোপ জানান, গত ২৫ বছরে প্রকৃত আয় মূলত স্থিতিশীল ছিল। অর্থাৎ এই সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সূচক (আরপিআই) এবং আয় প্রায় সমানুপাতিক হারে বেড়েছে।
বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়া সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর্মীদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা জরুরি, যদিও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।