বাংলাদেশের বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শৌচাগার ও পরিত্যক্ত ভবনে স্তূপ করে রাখা বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন মুফতির পরিচালিত একটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন রবিবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শনে এসে এই নির্দেশ দেন। এই ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সরকারি ওষুধের এমন অপচয় ও অব্যবস্থাপনা সরাসরি জনস্বার্থের পরিপন্থী।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে অবস্থিত ‘ফ্যামিলি হেলথ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে, হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনে থাকা প্রায় ২৯ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ প্রকারের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় অপসারণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য জেলা সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এসব ওষুধ ফেলে রাখার দায়ে তৎকালীন কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে। দুই ঘণ্টাব্যাপী পরিদর্শনে মন্ত্রী হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনের বিভিন্ন কক্ষে এবং শৌচাগারে স্যালাইন, সুই-সিরিঞ্জ ও ওষুধের বিশাল স্তূপ দেখতে পান। অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী তখনই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় পরিচালককে নির্দেশনা দিয়েছিলেন।