বাংলাদেশের কক্সবাজার শহরে যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করে পরে জোড়া লাগানো তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। গাড়িগুলো হলো টয়োটা সুপ্রা, হোন্ডা সিভিক ও মাজদা এমএক্স-৫। বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের কলাতলী রোডের ওশান প্যারাডাইজ হোটেল এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়। শুক্রবার এনবিআর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জব্দ করা গাড়িগুলোর নম্বর প্লেটে প্রচলিত ফরম্যাটের পরিবর্তে ভিন্ন সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘এসআইএনএইচ৪’, ‘এস৪এফআইএটি’ ও ‘ইএসএইচ৪এইচ’ লেখা রয়েছে। গাড়িগুলোর আমদানির বৈধতা, শুল্ক পরিশোধ এবং স্থানীয়ভাবে সংযোজনের প্রকৃত তথ্য যাচাই করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দাদের ধারণা, পূর্ণাঙ্গ গাড়ি আমদানির উচ্চ শুল্ক ফাঁকি দিতে সেগুলোকে যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। এরপর স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশগুলো জোড়া লাগিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপ দেওয়া হয়েছে। এটি শুল্ক আইন লঙ্ঘন কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
তদন্তে এখন পর্যন্ত পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তারা হলেন হাসিবুর রহমান সিনহা, আজমাইন রাইহান, শরাফাত রহমান, নকিবুল হাসান ও সিফিয়াত মাহমুদ। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পণ্য বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বলে সিআইআইডি জানিয়েছে।