বাংলাদেশের কুমিল্লার মুরাদনগরে ইলিশ মাছবাহী পিকআপে ডাকাতির ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হলেও তিন দিনেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার বাদী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাছ লুট ও অর্থ ছিনতাইয়ের এই ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
ঘটনার বিবরণ
লক্ষ্মীপুর সদর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রামের পুরাতন ফিশারি ঘাট থেকে মাছ কিনে পিকআপে করে কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের নিয়ামতপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি সাদা রঙের পিকআপ তাদের গতিরোধ করে। ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল লাঠি ও দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চালক ও ব্যবসায়ীকে মারধর করে। পরে তাদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে রেখে পিকআপসহ মাছ ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ক্ষয়ক্ষতি ও মামলা
এজাহার অনুযায়ী, ডাকাতরা সাড়ে ৯ লাখ টাকা মূল্যের ইলিশ মাছ এবং ব্যবসায়ী বেলালের কাছে থাকা ৭১ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়ার পর ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের বক্তব্য
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে হেফাজতে নিতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।