ঢাকাMonday , 17 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

লন্ডনের সেফসবেরিতে এআই ক্যামেরা বিভ্রাট: চোর অপবাদে গ্রাহককে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রযুক্তি স্থগিত


August 17, 2026 7:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ইস্ট ডালউইচ এলাকার সেফসবেরি সুপারমার্কেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ভুলে একজন গ্রাহককে চোর অপবাদ দিয়ে দোকান থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক ম্যাট আরনল্ড জানান, কেনাকাটা করার সময় তাকে থামিয়ে দিয়ে চোর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই ঘটনার পর সেফসবেরি কর্তৃপক্ষ ওই শাখায় সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

ঘটনার বিবরণ
গত ৬ আগস্ট ম্যাট আরনল্ড ওই দোকানে কেনাকাটা করছিলেন। এ সময় দোকানের কর্মীরা তাকে জানান, এআই ক্যামেরা তাকে চোর হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং তাকে দোকান ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে। ভুক্তভোগী আরনল্ড জানান, তিনি তখন নিজের কেনাকাটার আইটেম স্ক্যান করছিলেন এবং লয়্যালটি কার্ডও ব্যবহার করেছিলেন। অথচ কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই তাকে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
সেফসবেরি কর্তৃপক্ষ এই ভুলের জন্য আরনল্ডের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নয়, বরং মানুষের ভুলের (হিউম্যান এরর) কারণে ঘটেছে। প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফেসওয়াচও দাবি করেছে, তাদের সফটওয়্যারে কোনো ত্রুটি ছিল না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত ওই শাখায় ক্যামেরাগুলোর ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রযুক্তির ঝুঁকি নিয়ে বিতর্ক
এই ঘটনাটি খুচরা বাজারে নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নাগরিক অধিকার সুরক্ষা সংস্থা ‘বিগ ব্রাদার ওয়াচ’-এর পরিচালক সিল্কি কার্লো এই প্রযুক্তি বন্ধের দাবি তুলেছেন। তার মতে, সাধারণ গ্রাহকদের অপরাধীর মতো বিবেচনা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর আগেও লন্ডনের অন্য শাখাতেও একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দোষ গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল।

কেন গুরুত্বপূর্ণ
সেফসবেরি জানিয়েছে, দোকান কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং চুরি ঠেকাতে তারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাদের মতে, এটি অপরাধ প্রবণতা কমাতে সহায়ক। তবে ম্যাট আরনল্ডের মতো ভুক্তভোগীরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব সাধারণ গ্রাহকদের জন্য অবমাননাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।