ঢাকাMonday , 3 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

প্রথমবার বাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণে নতুন সুযোগ: মর্টগেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন


August 3, 2026 8:00 am
Link Copied!

যুক্তরাজ্যে প্রথমবার বাড়ি ক্রেতাদের জন্য মর্টগেজ পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা অনেক নতুন ক্রেতার জন্য স্বপ্নের বাড়ি কেনা সহজ করে তুলতে পারে। মর্টগেজ ব্রোকার এল অ্যান্ড সি-এর ডেভিড হলিংওয়ার্থ জানিয়েছেন, ঋণের নিয়মে নমনীয়তা আসার ফলে এখন ক্রেতারা তাদের বার্ষিক আয়ের ছয় থেকে সাত গুণ পর্যন্ত ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আকাশচুম্বী জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতার মাঝে এই পরিবর্তনটি নতুন ক্রেতাদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

পটভূমি
২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর ২০০৪ সালে মর্টগেজ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। তৎকালীন নীতি অনুযায়ী, আয়ের সাড়ে তিন গুণ পর্যন্ত ঋণ নেওয়াকে নিরাপদ মনে করা হতো। তবে সময়ের সাথে বাড়ির দাম এবং মানুষের আয়ের মধ্যে ব্যবধান ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় আগের নিয়ম অনুযায়ী বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এতদিন ব্যাংকগুলোর ওপর সীমাবদ্ধতা ছিল যে, তাদের মোট ঋণের মাত্র ১৫ শতাংশ সাড়ে চার গুণের বেশি ঋণ-আয় অনুপাতে দেওয়া যাবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ
ট্রিনিটি ফাইন্যান্সের অ্যারন স্ট্রাট জানান, এই সুযোগের ফলে যারা এতদিন ভাড়ার বাসায় থাকছিলেন বা বাবা-মায়ের সাথে বসবাস করছিলেন, তারা নিজস্ব বাড়ির মালিক হওয়ার পথে এগিয়ে যেতে পারবেন। তবে এটি বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির কারণও হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, উচ্চ অঙ্কের ঋণ নেওয়ার অর্থ হলো দীর্ঘমেয়াদে বড় আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করা।

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
এই ধরনের বড় মর্টগেজ পাওয়ার জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভালো ক্রেডিট স্কোর থাকা, নিয়মিত বেতনভুক্ত চাকরিজীবী হওয়া এবং নির্দিষ্ট সুদের হারে দীর্ঘমেয়াদী (পাঁচ বা দশ বছর) ঋণ চুক্তিতে রাজি হওয়া। এছাড়া, ব্যক্তিগত আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তত কিছু সঞ্চয় বা আপৎকালীন তহবিল থাকা জরুরি। ভবিষ্যতে ঋণের কিস্তি পরিশোধে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য ক্রেতাদের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।