ঢাকাTuesday , 4 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সুদিন ফেরাতে ৫ বছরে পাট রপ্তানি দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা সরকারের


August 4, 2026 3:30 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের ঢাকায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন পাট অধিদপ্তর পাট খাতের হারানো সুদিন ফেরাতে পাঁচ বছর মেয়াদী এক নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির জানান, ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য এই কর্মপরিকল্পনার খসড়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে, যা বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ। খাতটিকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

লক্ষ্যমাত্রা ও কর্মপরিকল্পনা

খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্তমানে বছরে ৮২ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে, যা ২০৩১ সালের মধ্যে ১৬৪ কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কাঁচা পাটের উৎপাদন ১১৫ থেকে ১২০ লাখ বেলে উন্নীত করা, পাটবীজের চাহিদার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে মেটানো এবং মূল্য সংযোজিত পণ্যের হার ৭০ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে পরীক্ষাগার স্থাপন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানি কমার কারণ ও চ্যালেঞ্জ

গত চার অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় প্রায় ২৯ শতাংশ কমেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১১৬ কোটি ডলার আয় হলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা ৮২ কোটি ডলারে নেমে আসে। খসড়ায় রপ্তানি কমার কারণ হিসেবে মূল্য সংযোজিত পণ্যের অভাব, আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা, ভারতের অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক এবং ২৬৬টি মিলের মধ্যে ৭৩টি বন্ধ থাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষ জনবলের অভাব ও আধুনিক পরীক্ষাগারের অপ্রতুলতাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ

বর্তমানে বাংলাদেশ ১৫২টি দেশে পাট রপ্তানি করলেও তুরস্ক, চীন ও ভারতের ওপর নির্ভরতা রয়েছে ৬৩ শতাংশ। এই নির্ভরশীলতা কমিয়ে নতুন বাজার খোঁজা এবং কাঁচা পাটের বদলে উচ্চমূল্যের পাটপণ্য রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

অংশীজনদের প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাপস প্রামাণিক জানিয়েছেন, পোশাক খাতের পাশাপাশি পাট খাতকে গুরুত্ব দেওয়া একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে অতীতে এ ধরনের অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার তা যথাযথভাবে কার্যকর করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় অংশীজনদের সাথে পর্যালোচনা বৈঠক শেষে এই খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।