যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রতিরক্ষা দফতরের উপপ্রধান স্টিভ ফেইনবার্গকে সরিয়ে তার স্থলাভিষিক্ত করার জন্য প্রার্থীদের বিষয়ে পর্যালোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন। ফেইনবার্গকে সরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলে সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে। পেন্টাগনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন মাস থেকেই সম্ভাব্য উত্তরসূরি খোঁজার প্রক্রিয়া চলছিল। আগস্টের শেষ দিকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীদের সিনেটে অনুমোদনের সম্ভাবনা যাচাই করতে জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
তবে এই খবর পুরোপুরি অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গের কাজে সন্তুষ্ট। পেন্টাগনের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, ফেইনবার্গের প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং তিনি পদত্যাগ করছেন না।
এর আগে হেগসেথের দায়িত্ব নেওয়ার পর পেন্টাগনে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল এবং নৌবাহিনীর সেক্রেটারি জন ফেলান উল্লেখযোগ্য।
বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রের মজুত কমে আসা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে হেগসেথ অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার জন্য ফেইনবার্গকে দায়ী করেছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এই দাবি নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়নি।
উল্লেখ্য, ফেইনবার্গ গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এছাড়া তার সাবেক প্রতিষ্ঠান সারবেরাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠলেও পেন্টাগন তা অস্বীকার করেছে।