স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের অনেকে রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস রয়েছে। ফোনটি অব্যবহৃত থাকলেও চার্জে থাকা অবস্থায় এর সফটওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে থাকে। ফোনের মডেল ও অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে এসব কাজ নির্ধারিত হয়। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন চার্জে এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার সময় এই চারটি কাজ সম্পন্ন করে।
জিবোর্ডের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষণ
গুগলের জিবোর্ড কিবোর্ড ফেডারেটেড লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় কিবোর্ড নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি সার্ভারে না পাঠিয়ে, ফোনে শেখা তথ্যের সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়, যা কিবোর্ডের পূর্বাভাস প্রদানের ক্ষমতা উন্নত করে।
স্টোরেজের তথ্য ব্যবস্থাপনা
স্মার্টফোনে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অস্থায়ী ফাইল জমা হয়। ফোনটি চার্জে এবং নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকলে অপারেটিং সিস্টেম অপ্রয়োজনীয় তথ্য গুছিয়ে নেওয়া বা স্টোরেজ অপ্টিমাইজ করার কাজটি করে। এতে ফোনের কর্মক্ষমতা বজায় থাকে। তবে এই প্রক্রিয়ার ধরন ফোনের নির্মাতা ও সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে।
গ্যালারির ছবি বিশ্লেষণ
স্মার্টফোনের গ্যালারি অ্যাপ প্রায়ই ছবিতে থাকা ব্যক্তি বা দৃশ্য শনাক্ত করার জন্য এআই ভিত্তিক বিশ্লেষণ চালায়। দিনের বেলা তোলা ছবিগুলো রাতে ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজিয়ে রাখে, যা পরে সহজে ছবি খুঁজে পেতে সহায়তা করে।
অ্যাপ দ্রুত চালুর প্রস্তুতি
ব্যবহারকারী কোন অ্যাপ বেশি ব্যবহার করেন, তা বিশ্লেষণ করে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম। চার্জে থাকা অবস্থায় সিস্টেম ফোনটিকে পরবর্তী ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে। এর ফলে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপগুলো দ্রুত চালু হয় এবং ফোনের সামগ্রিক গতি ঠিক থাকে।