ঢাকাSunday , 6 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

আইফোনের চেয়ে আইপ্যাড কেন সস্তা? ব্যাখ্যার নেপথ্যের কারণসমূহ


September 6, 2026 3:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল ডিভাইসের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে আকারই একমাত্র নিয়ামক নয় বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। সাধারণত টিভি বা ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বড় ডিভাইসের দাম বেশি হলেও, অ্যাপলের আইফোন ১৭ই-এর দাম ৫৯৯ ডলার, যেখানে ১১তম প্রজন্মের আইপ্যাডের দাম ৪৪৯ ডলার। এই দামের পার্থক্যের পেছনে ডিজাইন, হার্ডওয়্যার এবং বাজারের চাহিদার সমন্বিত ভূমিকা রয়েছে।

প্রকৌশলগত জটিলতা

আইফোনের মতো ক্ষুদ্র ডিভাইসে মাদারবোর্ড, ব্যাটারি, প্রসেসর এবং সেন্সরের মতো উপাদানগুলো অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে বসাতে হয়। সীমিত জায়গায় সব যন্ত্রাংশ জায়গা করে দেওয়া এবং তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রকৌশলীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে, আইপ্যাডে তুলনায় অনেক বেশি জায়গা থাকায় এর অভ্যন্তরীণ বিন্যাস তুলনামূলক সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।

হার্ডওয়্যার ও প্রিমিয়াম ফিচার

আইফোনের হার্ডওয়্যার আইপ্যাডের তুলনায় উন্নত। আইফোনের ক্যামেরার মান আইপ্যাডের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং এতে অপটিক্যাল জুমসহ নানা প্রিমিয়াম ফিচার থাকে। এছাড়া সব আইফোন মডেলে ওলেড (OLED) পর্দা এবং ১২০ হার্টজ প্রো-মোশন প্রযুক্তি থাকলেও সাধারণ আইপ্যাডে এলসিডি স্ক্রিন ও ৬০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়। আইফোনে সেলুলার কলিং সুবিধাসহ এনএফসি এবং ম্যাগসেফ চার্জিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি থাকে যা সাধারণ আইপ্যাডে অনুপস্থিত।

বাজারের চাহিদা ও প্রতিযোগিতা

স্মার্টফোন বর্তমান সময়ের একটি অপরিহার্য ডিভাইস, যা ব্যবহারের পরিধি ট্যাবলেট থেকে অনেক বেশি। অ্যাপল চায় সাশ্রয়ী মূল্যে আইপ্যাড ছড়িয়ে দিতে যাতে শিক্ষার্থীরাসহ সাধারণ ব্যবহারকারীরা তাদের ইকোসিস্টেমে যুক্ত হয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে মোবাইল ক্যারিয়ারের মাধ্যমে কিস্তিতে আইফোন কেনার সুযোগ থাকায় অনেক সময় প্রকৃত দাম সাধারণের কাছে স্পষ্ট থাকে না।

আইপ্যাডের উচ্চমূল্য

যদিও এন্ট্রি-লেভেল আইপ্যাড সস্তা, তবে স্টোরেজ বা সেলুলার সংযোগ বাড়ালে এর দাম আইফোনকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে আইপ্যাড প্রো-এর মতো পেশাদার মডেলগুলোতে এম-সিরিজ চিপ এবং প্রিমিয়াম ডিসপ্লে থাকায় সেগুলোর দাম যেকোনো আইফোনের চেয়ে বেশি হতে পারে। তবে বাজারে ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের ব্যবহারের ধরন ভিন্ন হওয়ায় অ্যাপল উভয় পণ্যের জন্য ভিন্ন মূল্য কৌশল অনুসরণ করে থাকে।