যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা গবেষণায় হৃদপিণ্ডের চারপাশে তরল জমে তৈরি হওয়া ‘বেক্স ট্রায়াড’ নামক জটিল অবস্থাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কার্ডিয়াক ট্যাম্পোনেড শনাক্ত করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক যা হৃদপিণ্ডের রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
বেক্স ট্রায়াড মূলত তিনটি লক্ষণের সমন্বয়ে গঠিত। প্রথমটি হলো নিম্ন রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন, দ্বিতীয়টি হলো ঘাড়ের শিরার স্ফীতি এবং তৃতীয়টি হলো হৃদপিণ্ডের শব্দের তীব্রতা কমে যাওয়া। এই তিনটি লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে হৃদপিণ্ডের চারপাশে অস্বাভাবিক চাপে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
চিকিৎসকদের মতে, হৃদপিণ্ডের পেরিকার্ডিয়াল থলিতে রক্ত বা তরল জমে চাপ সৃষ্টি করলে এই অবস্থার উদ্ভব হয়। যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয় তবে এটি হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারে। সময়মতো এই লক্ষণগুলো শনাক্ত করা গেলে রোগীকে গুরুতর বিপদ থেকে বাঁচানো সম্ভব।
পরবর্তী পদক্ষেপ
বেক্স ট্রায়াডের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সাধারণত ইকোকার্ডিওগ্রাম বা অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে অবস্থা নির্ণয় করে পেরিকার্ডিওসেন্টেসিস পদ্ধতির সাহায্যে জমে থাকা তরল অপসারণ করে থাকেন।