যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অবস্থা যেখানে ধমনীর অভ্যন্তরীণ দেয়ালে প্লাক বা চর্বিযুক্ত পদার্থ জমা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ধমনী ক্রমশ সরু এবং শক্ত হয়ে যায়, যা শরীরে রক্ত সঞ্চালনে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করে।
অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস কেন গুরুত্বপূর্ণ
রক্ত চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়। এর ফলে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতির ঝুঁকি তৈরি হয়। সময়মতো এর লক্ষণ শনাক্ত করা এবং প্রতিকারে সচেতন হওয়া তাই জরুরি।
ঝুঁকির কারণ ও লক্ষণ
উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ধূমপানের অভ্যাস এবং বংশগত কারণে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ধমনীর এই সমস্যার অন্যতম কারণ। শুরুতে এর তেমন কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ না থাকলেও, ধমনী যখন রক্ত প্রবাহে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করে, তখন বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে এই রোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে ধমনীর স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে জানা থাকলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সহজ হয়।