যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির বিমান বাহিনী জানিয়েছে, চীনের আকাশসীমা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে গবেষণার জন্য পরিচালিত চায়না অ্যারোস্পেস স্টাডিজ ইনস্টিটিউট (CASI) বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বেসামরিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিমান বাহিনীর এক মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চীন বিষয়ক এই গবেষণা সংস্থাটি মার্কিন প্রতিরক্ষা নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বলে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
বিমান বাহিনীর এয়ার এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং কমান্ডের চলমান কাঠামোগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখপাত্র জানান, সিএএসআই (CASI) এর লক্ষ্য এবং কার্যক্রম আগের মতোই চলমান থাকবে। তবে এখন থেকে বেসামরিক কর্মীদের পরিবর্তে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য পূরণ করা হবে। বর্তমানে কর্মরত বেসামরিক কর্মীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে এবং তাদের অন্য কোথাও বদলির বিষয়টি পর্যালোচনায় রাখা হয়েছে।
সিএএসআই মূলত বেইজিংয়ের বিমান ও মহাকাশ বাহিনীর ওপর নিয়মিত গবেষণা পরিচালনা করে। তাদের গবেষণালব্ধ তথ্য মার্কিন সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে সরবরাহ করা হয়, যা কৌশলগত নীতিনির্ধারণে সহায়তা করে। সম্প্রতি তারা বেইজিংয়ের মহাকাশ বিজ্ঞান বিষয়ক রোডম্যাপ এবং সামরিক ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
এদিকে সোমবার একজন সিএএসআই কর্মী অনলাইনে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হওয়ার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তবে বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হলেও কার্যক্রম বন্ধের খবর নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নৌবাহিনীর চায়না মেরিটাইম স্টাডিজ ইনস্টিটিউটে কোনো পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে নেভাল ওয়ার কলেজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কর্মী ছাঁটাইয়ের অংশ হিসেবেই বিমান বাহিনী এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।