যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ওয়্যারড-এর প্রতিবেদনে উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে কাস্টম নোটিফিকেশন তৈরির পদ্ধতি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। উইন্ডোজের নিজস্ব টাস্ক শিডিউলার ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তাদের দৈনন্দিন কাজের রিমাইন্ডার বা নির্দিষ্ট সময়ের সতর্কতা সেট করতে পারেন। সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও কাজের গতি বাড়াতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
টাস্ক শিডিউলারের মাধ্যমে নোটিফিকেশন সেটআপ
উইন্ডোজের টাস্ক শিডিউলার ব্যবহার করে বাড়তি কোনো অ্যাপ ছাড়াই নোটিফিকেশন তৈরি করা যায়। স্টার্ট মেনু থেকে এটি ওপেন করে ‘ক্রিয়েট বেসিক টাস্ক’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে কাজের নাম ও বিবরণ লিখে প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্ট আসার সময় নির্ধারণ করা যায়। এরপর ‘স্টার্ট এ প্রোগ্রাম’ মেনুতে গিয়ে ‘msg’ কমান্ডের মাধ্যমে নোটিফিকেশনের টেক্সট লিখে সেভ করলে নির্দিষ্ট সময়ে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেসে উঠবে। এই কাজগুলো পরবর্তীতে টাস্ক শিডিউলার লাইব্রেরি থেকে এডিট বা ডিলিট করা সম্ভব।
অ্যাপের মাধ্যমে রিমাইন্ডার
টাস্ক শিডিউলার ছাড়াও উইন্ডোজের নিজস্ব ক্লক অ্যাপ বা মাইক্রোসফট টু-ডু অ্যাপ ব্যবহার করে রিমাইন্ডার দেওয়া যায়। ক্লক অ্যাপের অ্যালার্ম ফিচার ব্যবহার করে নামসহ রিমাইন্ডার সেট করা যায়। এছাড়া মাইক্রোসফট টু-ডু অ্যাপে নির্দিষ্ট কাজের সঙ্গে তারিখ ও সময় যুক্ত করে নোটিফিকেশন পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বাজারে বিভিন্ন থার্ড-পার্টি অ্যাপ থাকলেও উইন্ডোজের নিজস্ব এই টুলগুলো সহজ ও কার্যকর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।