ঢাকাFriday , 7 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রচার মাধ্যমের মালিকানায় বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করলেন ব্রেন্ডন কার


August 7, 2026 10:30 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সম্প্রচার মাধ্যমের মালিকানার ওপর থাকা জাতীয় ক্যাপ বা সীমাবদ্ধতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেছে ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন (এফসিসি)। এফসিসির চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার এবং কমিশনার অলিভিয়া ট্রাস্টি এই নিয়ম বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে মার্কিন টিভি পরিবারগুলোর ৩৯ শতাংশ পর্যন্ত স্টেশন ধারণের যে আইনি সীমা ছিল, তা বিলুপ্ত করা হলো। এই পরিবর্তনের ফলে এখন থেকে সম্প্রচার মাধ্যমের মালিকানা নির্ধারণে প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনা করবে সংস্থাটি।

কেন এই সিদ্ধান্ত

এফসিসি চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার দীর্ঘদিন ধরে এই সীমাবদ্ধতাকে কৃত্রিম বাধা হিসেবে সমালোচনা করে আসছেন। তার মতে, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলো কোনো লাইসেন্স ছাড়াই শতভাগ দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারছে, অথচ প্রচলিত সম্প্রচার মাধ্যমগুলো সেই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। এই সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার মাধ্যমে সম্প্রচার মাধ্যমগুলো এখন আরও বড় পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিরোধিতা ও বিতর্ক

এফসিসির এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাটিক কমিশনার আনা গোমেজ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, মালিকানার ওপর কোনো সীমা না থাকলে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো একের পর এক স্টেশন কিনে নেবে, যা স্থানীয় সাংবাদিকতার মান কমিয়ে দেবে এবং গ্রাহকদের খরচ বাড়িয়ে দেবে। এছাড়া সমালোচকদের দাবি, ২০০৪ সালের আইনের মাধ্যমে এই সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল কংগ্রেস, তাই এফসিসির এককভাবে এই নিয়ম বাতিলের আইনি ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পূর্বের নজির

এই নিয়ম আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের আগেই এফসিসি এর বিকল্প পথ ব্যবহার করেছিল। নেক্সটার এবং টেগনার মধ্যকার ৬.২ বিলিয়ন ডলারের একীভূতকরণ চুক্তির ক্ষেত্রে ক্যাপের নিয়ম শিথিল করেছিলেন ব্রেন্ডন কার। তবে সেই বিষয়টি বর্তমানে মার্কিন আদালতের বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে এফসিসির বিরুদ্ধে এ বি সি নেটওয়ার্কের লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে, যা ঘিরে মার্কিন রাজনীতিতে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।