যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডট কমের তথ্যানুযায়ী, একজিমা এবং সোরিয়াসিস—উভয়ই ত্বকের প্রদাহজনিত রোগ হলেও এদের কারণ ও চিকিৎসার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা। ত্বকের সঠিক চিকিৎসার জন্য এই দুই সমস্যার পার্থক্য বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একজিমা ও সোরিয়াসিসের বৈশিষ্ট্য
একজিমা সাধারণত ত্বকে প্রচণ্ড চুলকানি ও শুষ্কতার সৃষ্টি করে, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে, সোরিয়াসিস একটি অটোইমিউন রোগ, যার ফলে ত্বকের কোষ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং লালচে ছোপ বা আঁশের মতো শক্ত স্তরের সৃষ্টি হয়। সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে চুলকানির চেয়ে চামড়া ওঠার প্রবণতা বেশি থাকে।
পার্থক্য চিহ্নিত করার উপায়
চিকিৎসকদের মতে, একজিমা সাধারণত হাতের ভাঁজ, হাঁটুর পেছনের অংশ বা ঘাড়ের ত্বকে প্রভাব ফেলে। কিন্তু সোরিয়াসিস সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক এবং মেরুদণ্ডের নিচের দিকে দেখা যায়। একজিমার ক্ষেত্রে ত্বক অনেক সময় পাতলা হয়ে যায়, আর সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থান কিছুটা পুরু ও উঁচু অনুভূত হয়।
সতর্কতা ও চিকিৎসা
সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কারণ ভেদে চিকিৎসার কৌশল ভিন্ন হয়। একজিমার ক্ষেত্রে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং অ্যালার্জি এড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় ত্বকের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ওষুধের প্রয়োজন হয়।