বাংলাদেশের ভোলার মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে সদর উপজেলার শিবপুর ও দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বারবার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও তা স্থায়ী কোনো সমাধান দিতে পারছে না। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত সিসি ব্লকের মাধ্যমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে শুধু এই দুই ইউনিয়নই নয়, বরং পুরো ভোলা শহর বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।
ভাঙনকবলিত বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারা স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসলেও কার্যকর উদ্যোগ নেই। শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল মৎস্য ঘাটসহ স্থানীয়দের অনেক বসতঘর, ফসলি জমি ও দোকানপাট এরই মধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। বারবার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও স্রোতের তোড়ে সেগুলো ভেসে যাওয়ায় নদীভাঙন রোধে কোনো সুফল মিলছে না।
এ বিষয়ে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ জানান, সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ একটি ব্যয়বহুল প্রকল্প। তাদের বার্ষিক রাজস্ব বাজেট দিয়ে এই বড় কাজ করা সম্ভব নয়। গত দেড় বছরে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেড় কিলোমিটার এলাকায় প্রায় নয় কোটি টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, একটি নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সিসি ব্লক স্থাপন করে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধের পরিকল্পনা রয়েছে।