যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর ব্যান্ড ‘দ্য ইউনিটস’-এর ১৯৮০ সালের অ্যালবাম ‘ডিজিটাল স্টিমুলেশন’ সিন্থপাংক সংগীতের জগতে এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। দ্য ভার্জের উইকেন্ড এডিটর টেরেন্স ও’ব্রায়েন তার কলামে এই অ্যালবামের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন। সংগীতের এই বিশেষ ধারার গুরুত্ব ও এর আধুনিক আবেদন সম্পর্কে তিনি আলোকপাত করেছেন।
অ্যালবামটির বিশেষত্ব
টেরেন্স ও’ব্রায়েনের মতে, ‘ডিজিটাল স্টিমুলেশন’ অ্যালবামটি তার সময়কাল ছাপিয়ে এক আধুনিক রূপ পেয়েছে। ডেভো ঘরানার ভোকাল থাকলেও অ্যালবামের সাউন্ড প্যালেট ও সংগীত আয়োজন বেশ আক্রমণাত্মক এবং ড্যান্স-ধর্মী। অ্যালবামের শুরুর গান ‘হাই প্রেশার’ থেকে শুরু করে শিরোনাম গান ‘ডিজিটাল স্টিমুলেশন’-এ যে ছন্দ পাওয়া যায়, তা দশকের পর দশক পেরিয়ে এসেও প্রাসঙ্গিক।
পটভূমি ও শিল্পকলা
ব্যান্ডটির প্রধান গীতিকার ছিলেন স্কট রাইসার ও র্যাচেল ওয়েবার। সান ফ্রান্সিসকোর তৎকালীন পাংক ঘরানার সাথে তাদের সংগীতের গভীর সংযোগ ছিল। ডেড কেনেডিস বা দ্য অ্যাভেঞ্জার্সের মতো ব্যান্ডের সাথে তাদের কাজের তুলনা করা হয়। প্রথাগত গিটারের পরিবর্তে কিবোর্ড ও সিন্থেসাইজারের ব্যবহারে তারা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা তৎকালীন মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে ছিল নতুন ধারার সূচনা।
বর্তমান অবস্থা
যদিও ব্যান্ডটি ১৯৮১ সালে ‘অ্যানিমেলস দে ড্রিম এবাউট’ নামে আরও একটি অ্যালবাম তৈরি করেছিল, কিন্তু তা ২০১৬ সালের আগে প্রকাশিত হয়নি। বর্তমানে ‘ডিজিটাল স্টিমুলেশন’ অ্যালবামটি ব্যান্ডক্যাম্প, অ্যাপল মিউজিক, ইউটিউব মিউজিক ও ডিজার-এর মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে। এটি সেই সময়ের আন্ডাররেপজেন্টেড সিন্থপাংক দৃশ্যপটকে বুঝতে এক অপরিহার্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।