ঢাকাMonday , 24 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সুইজারল্যান্ডের সার্নে ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস ব্যবহার করে তৈরি হলো কৃত্রিম ‘বিগ ব্যাং’


August 24, 2026 4:45 pm
Link Copied!

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত সার্ন (CERN)-এর বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের সৃষ্টির শুরুর মুহূর্তের মতো অতি উচ্চ তাপমাত্রার পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিলস বোর ইনস্টিটিউটের গবেষকরা আন্তর্জাতিক ‘অ্যালিস’ (ALICE) কোলাবোরেশনের সহায়তায় এই সাফল্য অর্জন করেন। এই ঘটনা মহাবিশ্বের আদি অবস্থা এবং পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের গভীরে যাওয়ার নতুন পথ তৈরি করেছে।

সাধারণত বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, ‘কোয়ার্ক-গ্লুয়ন প্লাজমা’ তৈরি করতে সীসার মতো ভারী নিউক্লিয়াসের সংঘর্ষ প্রয়োজন। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, অক্সিজেনের মতো অপেক্ষাকৃত অনেক ছোট নিউক্লিয়াস ব্যবহার করেও এই আদি পদার্থ তৈরি করা সম্ভব। গবেষকরা অক্সিজেন-১৬ এবং নিয়ন-২০ নিউক্লিয়াসের সংঘর্ষ ঘটিয়ে এই সফল পরীক্ষাটি সম্পন্ন করেন।

গবেষণা দলের নেতৃত্বে থাকা সহযোগী অধ্যাপক ইউ ঝো বলেন, আমরা এই পরীক্ষার মাধ্যমে পদার্থের আদি অবস্থায় ফিরে যাওয়ার সীমানা নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছি। একে অনেকটা ক্ষুদ্রাকৃতির বিগ ব্যাং বলা যেতে পারে। এই প্লাজমা মহাবিশ্বের সৃষ্টির প্রথম দশ লক্ষ ভাগের এক সেকেন্ডে কেমন ছিল এবং পরবর্তীকালে তা কীভাবে বর্তমানের পদার্থে রূপান্তরিত হয়েছে, তা বুঝতে এটি সহায়তা করবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট কণাগুলোর গতির ধরন থেকে ওই নিউক্লিয়াসগুলোর আদি আকৃতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, অক্সিজেনের সংঘর্ষে বৃত্তাকার প্যাটার্ন তৈরি হলেও নিয়নের ক্ষেত্রে তা বোলিং পিনের মতো আকৃতি ধারণ করে। গবেষকদের মতে, এটি অনেকটা বস্তুর ছায়া দেখে তার প্রকৃত আকৃতি বোঝার মতো।

এই নতুন পদ্ধতিটি পারমাণবিক কাঠামোর রহস্য উন্মোচনে একটি বড় পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করেছে। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে হিলিয়াম-৪ এর মতো আরও হালকা নিউক্লিয়াস ব্যবহার করে এই পরীক্ষা পরিচালনার পরিকল্পনা করছেন। তাদের এই গবেষণাপত্রটি ‘ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।