যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ড্যান্স পাঙ্ক ব্যান্ড প্রফেসর মার্ডারের ‘রাইডস দ্য সাবওয়ে’ ইপি-কে মিউজিক কলামিস্ট টেরেন্স ও’ব্রায়েন দুই হাজার দশকের মাঝামাঝি সময়ের এক ভুলে যাওয়া শৈল্পিক সৃষ্টি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সংগীত সমালোচকদের মতে, এই ইপিটি মূলত সেই সময়ের ব্রুকলিনের মিউজিক সংস্কৃতির এক অডিও প্রতিফলন।
দুই হাজার দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউ ইয়র্কের ইনডি মিউজিক দৃশ্যে ড্যান্স পাঙ্ক ঘরানা বেশ জনপ্রিয় ছিল। এলসিডি সাউন্ডসিস্টেম এবং দ্য র্যাপচারের মতো বড় নামের পাশাপাশি প্রফেসর মার্ডার তাদের স্বতন্ত্র সুর ও ছন্দের জন্য পরিচিতি পেয়েছিল। ও’ব্রায়েন জানান, সেই সময়ে নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন ভেন্যুতে এই ব্যান্ডের গানগুলো শ্রোতাদের ব্যাপকভাবে আন্দোলিত করত।
প্রফেসর মার্ডারের সংগীতে সিন্থের ব্যবহার, জোরালো ভোকাল এবং ঘাড় নাড়ানো পারকাশনের এক বিশেষ মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। ১৬ মিনিটের এই ইপির প্রতিটি গান মূলত ডিস্কো ঘরানার ছন্দে তৈরি। ড্রামসকে প্রধান বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তারা অত্যন্ত কৌশলে জটিল সব ছন্দ তৈরি করেছে, যা তৎকালীন ড্যান্স পাঙ্ক ধারার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল।
ইপিটির ‘চ্যাম্পিয়ন’ এবং ‘ফ্রি স্ট্রেস টেস্ট’ গান দুটিকে দুই হাজার দশকের ড্যান্স পাঙ্কের আদর্শ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সময়ের বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম যেমন অ্যাপল মিউজিক, স্পটিফাই এবং ইউটিউব মিউজিক-এ এই গানগুলো শোনা যাচ্ছে। ব্যান্ড ক্যাম্পেও এর ডিজিটাল সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে।