ঢাকাSunday , 9 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল ভাঙচুর মামলা পুনরায় পর্যালোচনার আহ্বান ট্রাম্পের


August 8, 2026 11:31 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইউএস অ্যাটর্নি জেনিন পিরো। তবে তার এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে পুনরায় পর্যালোচনা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে সাবেক অলিম্পিক তারকা ডেভিড হার্নকে আসামি করা হয়েছিল।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, তিনি জেনিন পিরোর এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে শতভাগ একমত নন। প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিদের ভাষ্য এবং ভিডিও প্রমাণে স্পষ্ট যে সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যে ব্যক্তি এই ঘটনায় জড়িত, তিনি একটি রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহের স্ক্যামের সাথে যুক্ত এবং প্রভাবশালী আইনজীবীদের মাধ্যমে আইনি সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

গত ২ জুলাই সাবেক অলিম্পিয়ান ডেভিড হার্নকে সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। ইউএস পার্ক পুলিশের অভিযোগ ছিল, ১৯ জুন হার্ন রিফ্লেক্টিং পুলের একটি প্রলেপযুক্ত অংশ টেনে ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করেন এবং ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের একজন কর্মীর বাধা উপেক্ষা করেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ হাজার ডলারেরও বেশি দাবি করা হয়েছিল।

কেন মামলা বাতিল হলো

অ্যাটর্নি জেনিন পিরোর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ডিপার্টমেন্ট অব ইন্টেরিয়র (ডিওআই) তাদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপন করেনি। তদন্তে দেখা গেছে, পুলের ওই অংশটি মূলত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আটলান্টিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোটিংসের ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমেরিকা ২৫০ উদযাপন উপলক্ষে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করতে গিয়েই এই সমস্যা সৃষ্টি হয়। নতুন এই প্রমাণের ভিত্তিতে প্রসিকিউটররা মামলাটি খারিজের আবেদন জানান।

আইনি লড়াই

মামলাটি খারিজ হওয়ার পর ডেভিড হার্নের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, প্রশাসনের উচিত তাদের মক্কেলের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তাদের মতে, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই একজন দেশপ্রেমিক নাগরিককে হয়রানি করা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, প্রসিকিউটররা চাপের মুখে নতি স্বীকার করেছেন এবং যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।