যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সম্প্রতি ২০২৬ সালের ডোডিস (DoDIIS) বিশ্ব সম্মেলনে দেশটির গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সাইবার নিরাপত্তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেছেন। স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্টগুলোর ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণ ও সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ ও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, যা মোকাবিলায় কর্মকর্তারা অবকাঠামোগত পরিবর্তন ও নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
সম্মেলনে বক্তারা জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গোয়েন্দা বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপারেশনাল কাজে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন এমন একটি নেটওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে যেখানে এআই এজেন্টরা সমন্বয় করে কাজ করতে পারবে। তবে এসব ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা এবং মানুষের নজরদারি নিশ্চিত করা এখন প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এআই বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে খুব দ্রুত নতুন নতুন দুর্বলতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যা সরকারি নেটওয়ার্কের সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই প্রেক্ষাপটে ‘জিরো ট্রাস্ট’ নিরাপত্তার ধারণা নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এছাড়া স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমগুলোর পরিচয় নির্ধারণ, তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং তাদের কার্যক্রমের ওপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাকেই বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা বিভাগ।