ঢাকাFriday , 4 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

আরও ৫০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা অনুমোদন ভক্সওয়াগেনের


September 4, 2026 1:45 pm
Link Copied!

জার্মানির উলফসবুর্গে অবস্থিত বিশ্বের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগনের পরিচালনা পর্ষদ আরও ৫০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। গত ৯ দশকের ইতিহাসে এটি প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী অলিভার ব্লুমে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানান, এটি কোম্পানির ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা এবং তারা পুরো কর্মীবাহিনীর দায়িত্ব নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ছাঁটাইয়ের ফলে ২০৩০ সাল নাগাদ মোট ১ লাখ কর্মসংস্থান বিলুপ্ত হবে, যার মধ্যে গত মার্চ মাসে ঘোষিত ৫০ হাজার ছাঁটাইও অন্তর্ভুক্ত।

ছাঁটাইয়ের কারণ ও প্রভাব

চীনে বিক্রি হ্রাস এবং প্রতিদ্বন্দ্বী চীনা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে মুনাফা কমে যাওয়ায় এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভক্সওয়াগন। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত আমদানি শুল্কের কারণেও গাড়ি বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রতিষ্ঠানের এই পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অডি, পোর্শে এবং স্কোডাসহ অন্যান্য ব্র্যান্ডের উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যতের রূপরেখা নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

প্ল্যান্ট ও উৎপাদন মডেলের পরিবর্তন

ভক্সওয়াগন তাদের জার্মানির এমডেন, জুইকাউ, হ্যানোভার এবং নেকারসুলম প্ল্যান্টগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, এই কারখানাগুলোতে চাহিদা তুলনায় উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেশি। এছাড়া ২০৩৫ সাল নাগাদ উৎপাদিত গাড়ির মডেলের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ভক্সওয়াগনের ৬ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি কর্মী রয়েছে।

ইউনিয়নের প্রতিক্রিয়া

ইউরোপের বৃহত্তম শিল্প ইউনিয়ন আইজি মেটালের প্রেসিডেন্ট এবং ভক্সওয়াগনের সুপারভাইজরি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ার ক্রিস্টিয়ান বেনারের মতে, বর্তমানে কোম্পানিটি একটি সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা গঠনমূলক সমাধানের জন্য লড়াই করছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে বিশ্বব্যাপী কর্মীবাহিনীর এই মৌলিক সমন্বয় অপরিহার্য বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।