যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক পোর্টাল হেলথ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, প্রোস্টেট ক্যান্সার শনাক্তকরণের জন্য চিকিৎসকরা মূলত দুটি প্রাথমিক পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে একটি হলো প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন (পিএসএ) রক্ত পরীক্ষা এবং অন্যটি ডিজিটাল রেক্টাল পরীক্ষা (ডিআরই)। এই পরীক্ষাগুলো ক্যান্সারের ঝুঁকি এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
পরীক্ষা পদ্ধতি
পিএসএ পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে প্রোস্টেট গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত প্রোটিনের মাত্রা পরিমাপ করা হয়। যদি রক্তে এই প্রোটিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তবে তা প্রোস্টেট গ্রন্থিতে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, ডিজিটাল রেক্টাল পরীক্ষায় চিকিৎসক প্রোস্টেট গ্রন্থির গঠন অনুভব করার জন্য মলদ্বারের মাধ্যমে আঙুল প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা করেন। এর মাধ্যমে প্রোস্টেটের আকার বা অস্বাভাবিক কোনো পিণ্ড রয়েছে কি না তা যাচাই করা হয়।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
এই পরীক্ষাগুলো প্রোস্টেট ক্যান্সার দ্রুত শনাক্ত করার প্রধান উপায়। যদি এই পরীক্ষাগুলোতে অস্বাভাবিক কোনো ফলাফল পাওয়া যায়, তবে চিকিৎসকরা বায়োপসি বা উন্নত ইমেজিং পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রোগটি প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।