যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সাংবাদিক চার্লস পুলিয়াম-মুর তার বিশ্লেষণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বক্স অফিসে বিশ্বজুড়ে ১ বিলিয়ন ডলার আয় করে হলিউড ইতিহাসের অন্যতম সফল ওপেনিং হিসেবে জায়গা করে নিলেও, মার্ভেলের সামগ্রিক অবস্থানে এখনও বড় ধরনের দুর্বলতা রয়ে গেছে।
চলচ্চিত্রটির ব্যাপক সাফল্য সনি এবং মার্ভেল স্টুডিওর সফল সহযোগিতার প্রমাণ দিলেও, এটি মার্ভেলের মূল জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান নিশ্চিত করে না। গত কয়েক বছর ধরে মার্ভেলের মাল্টিভার্স সাগা এবং তাদের বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও সিরিজের সমন্বয়ে তৈরি মহাবিশ্ব নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
ছবিটির পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন এবং চিত্রনাট্যকার ক্রিস ম্যাককেনা ও এরিক সোমার্স স্পাইডারম্যানের একক গল্পের সাথে মার্ভেলের বৃহত্তর ক্যানভাসের একটি ভারসাম্য তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। পিটার পার্কারের ব্যক্তিগত আবেগ ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই গল্পটি ভক্তদের প্রশংসা পেলেও, মার্ভেলের আসন্ন প্রজেক্টগুলো নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে।
বর্তমানে মার্ভেল স্টুডিও তাদের পরবর্তী বড় আয়োজন ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এবং ‘অ্যাভেঞ্জার্স: সিক্রেট ওয়ার্স’-এর মাধ্যমে মাল্টিভার্স সাগাকে একটি নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। রবার্ট ডাউনি জুনিয়রকে ডক্টর ডুম চরিত্রে যুক্ত করা এবং এক্স-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন অবতার নিয়ে কাজ করা মার্ভেলের বর্তমান কৌশলের অংশ।
বিশ্লেষকের মতে, মার্ভেল যদি তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সফল করতে চায়, তবে ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর মতো চলচ্চিত্রের শক্তিশালী দিকগুলো অনুসরণ করা জরুরি। এক্স-ম্যান চরিত্রগুলোকে পর্দায় উপস্থাপনের ক্ষেত্রে মার্ভেলকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যাতে তারা অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে পারে।