বাংলাদেশের ঢাকার শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী মিতু। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হুইল চেয়ারে করে অংশ নেওয়া মিতুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি মিতুর চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে জানতে চান এবং আন্দোলনের দিনগুলোতে তার ত্যাগের কথা স্মরণ করে তাকে সম্মান জানান। সরকার প্রধানকে কাছে পেয়ে মিতু তার শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন এবং সরাসরি কথা বলতে পেরে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বার্তা
অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে স্বৈরাচারের পুনরুত্থান হতে পারে। তিনি দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।