যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্প্রে ও লোশন উভয়ই কার্যকর, তবে এগুলোর ব্যবহারের ধরনে পার্থক্য রয়েছে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা সানস্ক্রিন নির্বাচনের চেয়ে এর সঠিক প্রয়োগের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
কেন ব্যবহারের নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ
লোশন সানস্ক্রিন ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি ত্বকের নির্দিষ্ট স্থানে সমভাবে লাগানো যায়। লোশন ব্যবহারের সময় মানুষ সাধারণত প্রতিটি অংশে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্রিম মালিশ করেন, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক।
অন্যদিকে, স্প্রে সানস্ক্রিনের ক্ষেত্রে অনেক সময় অসাবধানতা দেখা যায়। স্প্রে করার সময় বাতাসের কারণে সানস্ক্রিনের কণা উড়ে যেতে পারে, ফলে ত্বকের সব জায়গায় সমানভাবে এর আস্তরণ তৈরি হয় না। গবেষকদের মতে, স্প্রে ব্যবহারের সময় অন্তত ৩০ সেকেন্ড ত্বকে হাত দিয়ে ঘষে মিশিয়ে নেওয়া জরুরি। এছাড়া সরাসরি মুখের ওপর স্প্রে না করে হাতে নিয়ে মুখে লাগানো অধিকতর নিরাপদ।
কার্যকারিতার মানদণ্ড
উভয় ধরনের সানস্ক্রিনই কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত হলো এসপিএফ (SPF) ৩০ বা তার বেশি হওয়া এবং তা পানি প্রতিরোধী কি না তা যাচাই করা। স্প্রে সানস্ক্রিনের ক্ষেত্রে অনেক সময় আমরা প্রয়োজনের তুলনায় কম ব্যবহার করি, যা সুরক্ষার স্তর কমিয়ে দেয়। তাই স্প্রে ব্যবহারের সময় ত্বকের প্রতিটি ইঞ্চি সঠিকভাবে আবৃত হয়েছে কি না, সেদিকে নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি।
পরবর্তী পদক্ষেপ
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, বাড়ির বাইরে যাওয়ার অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। লোশন হোক বা স্প্রে, দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকলে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগাতে হবে। বিশেষ করে যারা সাঁতার কাটছেন বা অতিরিক্ত ঘামছেন, তাদের ক্ষেত্রে সানস্ক্রিনের পুনঃপ্রয়োগ অপরিহার্য।