যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে সিনেটের এক সর্বসম্মত ভোটাভুটিতে লে. জেনারেল ডগ শিসকে দেশটির স্পেস ফোর্সের পরবর্তী প্রধান (সিএসও) হিসেবে নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রায় সাত বছরের পুরনো এই বাহিনীতে তিনি তৃতীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তেমন কোনো বিরোধিতা ছিল না।
বর্তমানে স্পেস ফোর্সের উপ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনরত শিস বিদায়ী প্রধান জেনারেল চান্স সল্টজম্যানের স্থলাভিষিক্ত হবেন। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে সল্টজম্যান অবসর নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর শিস চতুর্থ তারকার মর্যাদা পাবেন এবং ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অনেক বেশি বাজেট ও জনবল নিয়ে গঠিত স্পেস ফোর্সের হাল ধরবেন।
২০২২ সালে সল্টজম্যান যখন সিএসও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন স্পেস ফোর্সের বাজেট ছিল ১৭.৪ বিলিয়ন ডলার এবং সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৮,৭০০। বর্তমানে তাদের ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা অনুযায়ী এই অংক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১.২ বিলিয়ন ডলারে। এছাড়া বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ১০,৬৫৭ থেকে ১৩,২০০ জনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ২০,০০০-এ পৌঁছানোর জন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা তদবির করছেন।
তবে শিসকে বেশ কিছু জটিল চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। স্পেস ফোর্সের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার এখন ঐতিহ্যগত সহায়তা থেকে যুদ্ধকেন্দ্রিক কৌশলের দিকে মোড় নিচ্ছে।
সরকারি জবাবদিহিতা দপ্তরের (জিএও) ১৪ জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেস ফোর্সের মিশন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কতজন অসামরিক ও সামরিক সদস্য প্রয়োজন, তা এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া বাহিনীটিতে সাইবার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে অন্তত ২৫ শতাংশ জনবল সংকট রয়েছে।
নতুন প্রধানকে এই জনবল সংকট দূর করার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ও ক্রয় সংক্রান্ত জটিলতাগুলো সামলাতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ক্যাপিটল হিলের নির্দেশনা বাস্তবায়নেও তাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।