ঢাকাMonday , 5 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িবহরে হামলা, তৃণমূলের অভিযোগ ‘হত্যার চক্রান্ত’

International Desk
August 10, 2026 10:00 am
Link Copied!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হালিশহরে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরের দিকে পুলিশি হেফাজতে এক কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে যাওয়ার পথে এই হামলার শিকার হন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এটিকে মমতাকে হত্যার চক্রান্ত হিসেবে অভিহিত করা হলেও বিজেপি দাবি করেছে, এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জনরোষ।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশি হেফাজতে নিহত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটেরের বাড়িতে যাওয়ার পথে হালিশহরের বীজপুর এলাকায় মমতার গাড়িবহর ঘিরে ফেলে বিক্ষোভকারীরা। এ সময় গাড়ির ওপর ইট, পাথর, জুতা ও কাদা ছোড়া হয়। বিক্ষোভকারীদের ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, হামলাটি অত্যন্ত মারাত্মক ছিল এবং গাড়ির কাচ খোলা থাকলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল।

তৃণমূলের অভিযোগ

ঘটনার সময় মমতার সফরসঙ্গী সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন উপস্থিত ছিলেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একে হত্যার চক্রান্ত আখ্যা দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পুলিশকে আগে জানানো হলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

বিজেপির অবস্থান

বিজেপি এই হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। যার ফলে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একে দলীয় কোনো হামলা নয় বরং জনরোষ বলে দাবি করেছে বিজেপি।

পটভূমি

কাঁচরাপাড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলরের স্বামী তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটের পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়ার পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং পরবর্তী হামলার ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলেছে।