ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নতুন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিরাময়ে ভুল ওষুধ সেবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ‘প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেড’


September 12, 2026 12:45 am
Link Copied!

কানাডার অন্টারিওতে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত বিভিন্ন ওষুধ সেবনের ফলে সৃষ্ট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে অনেক সময় নতুন কোনো রোগ মনে করে রোগীকে আরও একটি নতুন প্রেসক্রিপশন দেওয়া হচ্ছে। টরন্টোর সিনাই হেলথ-এর ওয়েস্টন অ্যান্ড ও’বর্ন সেন্টার ফর মেচিউর উইমেনস হেলথ-এর গবেষণা পরিচালক ডা. পলা রোচন এবং তাঁর দল এই বিপজ্জনক চক্র বা ‘প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেড’ শনাক্ত করেছেন। গবেষকদের মতে, এই সমস্যা রোগীদের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করে।

কিভাবে এই চক্র কাজ করে

সাধারণত কোনো ওষুধ খাওয়ার পর শরীরে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তাকে অনেক সময় আলাদা শারীরিক সমস্যা হিসেবে ভুল করা হয়। এর ফলে রোগীর সমস্যার সমাধানে মূল ওষুধটি পরিবর্তন না করে বরং দ্বিতীয় আরেকটি ওষুধ যুক্ত করা হয়। গবেষকরা ২৪টি এমন সাধারণ ‘প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেড’ শনাক্ত করেছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, ব্যথানাশক ওষুধ এনএসএআইডি (NSAIDs) অনেক সময় রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকরা যদি এই উচ্চ রক্তচাপকে নতুন রোগ হিসেবে ধরে নেন এবং রক্তচাপের ওষুধ দেন, তবে মূল ব্যথানাশক ওষুধটি নিয়ে আর নতুন করে চিন্তা করা হয় না।

ঝুঁকিতে কারা

বয়স্ক ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন, কারণ তাঁদের একাধিক শারীরিক জটিলতার জন্য একসঙ্গে অনেক ধরনের ওষুধ সেবন করতে হয়। অনেক ওষুধের ভিড়ে কোনো নির্দিষ্ট নতুন উপসর্গটি আগের কোনো ওষুধের কারণে হচ্ছে কি না, তা নির্ণয় করা রোগী ও চিকিৎসক উভয়ের জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বয়স্ক নারীরা, যারা দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগে ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

সমাধানের উপায়

গবেষক দলটির মতে, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এই ভুল কমানো সম্ভব। স্বয়ংক্রিয় ক্লিনিক্যাল ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম ব্যবহার করে চিকিৎসকদের সতর্ক করা যেতে পারে, যাতে কোনো নতুন ওষুধ পুরনো কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে ঢাকা দিচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। পাশাপাশি, রোগীর ওষুধের তালিকা পর্যালোচনায় ফার্মাসিস্টদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকের পাশাপাশি ফার্মাসিস্টরা রোগীদের ওষুধের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেসক্রিপশন প্রদান কমিয়ে আনা সম্ভব।