যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ ফিচারটি মূলত অ্যাপের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট রাখার কাজ করে। বেঞ্জামিন স্ট্যাগনারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ফিচারটি সক্রিয় থাকলে অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীর অগোচরেই ইন্টারনেট থেকে নতুন তথ্য সংগ্রহ করে রাখে, যাতে অ্যাপটি খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবহারকারী আপডেট তথ্য দেখতে পান।
কীভাবে কাজ করে
সেটিংস থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ অপশনটি ব্যবহার করে অ্যাপগুলোর কাজের ধরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি মূলত ওয়াই-ফাই কিংবা সেলুলার ডেটা ব্যবহার করে অ্যাপের কন্টেন্ট আপডেট করে। আবহাওয়া, পডকাস্ট, ক্লাউড স্টোরেজ, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ অ্যাপের ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকর। তবে সব অ্যাপের জন্য এই সুবিধা প্রয়োজন হয় না।
কোন অ্যাপের ক্ষেত্রে প্রয়োজন
যেসকল অ্যাপ নিয়মিত প্রয়োজন হয় বা রিয়েল-টাইম তথ্যের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড রিফ্রেশ চালু রাখা ভালো। নেভিগেশন, ফাইল সিঙ্কিং বা রিমাইন্ডারের মতো অ্যাপগুলো এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, শপিং অ্যাপ, গেম বা যেসব অ্যাপ খুব কম ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই ফিচারটি বন্ধ রাখলে ব্যাটারি এবং ডেটা সাশ্রয় হয়।
সেটিংস নিয়ন্ত্রণ
ব্যবহারকারী চাইলে পুরো আইফোনের জন্য অথবা নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য এই সুবিধাটি বন্ধ বা চালু করতে পারেন। সেটিংস থেকে জেনারেল অপশনে গিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ মেনুতে এই পরিবর্তন আনা সম্ভব। ব্যাকগ্রাউন্ড রিফ্রেশ বন্ধ করলেই যে অ্যাপ থেকে নোটিফিকেশন আসা বন্ধ হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। নোটিফিকেশন সেটিংস আলাদাভাবে কাজ করে।
ডেটা ও ব্যাটারি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপায়
আইফোনের লো পাওয়ার মোড চালু করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড রিফ্রেশ বন্ধ হয়ে যায়, যা ব্যাটারি বাঁচাতে সহায়তা করে। এছাড়া সেলুলার সেটিংস থেকে নির্দিষ্ট অ্যাপের মোবাইল ডেটা ব্যবহারের অনুমতি বন্ধ করা বা লো ডেটা মোড ব্যবহার করেও অপ্রয়োজনীয় ইন্টারনেট খরচ কমানো সম্ভব।