ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১২টি ডিপফেক ওয়েবসাইট জব্দ, শিকার ১২০০ ভুক্তভোগী


September 15, 2026 9:45 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১২টি ওয়েবসাইট জব্দ করেছে ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস, যেগুলোতে সেলিব্রিটিদের ডিপফেক পর্নোগ্রাফি ছড়ানো হতো। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি আলভিন ব্র্যাগ এই পদক্ষেপকে ডিপফেক ওয়েবসাইটগুলোর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আইনি অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রায় ১,২০০ জন ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়াই বিকৃত করে এসব সাইটে ব্যবহার করা হয়েছিল, যা সাইবার অপরাধ দমনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার, অভিনেত্রী, রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় এবং সঙ্গীতশিল্পীসহ বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি আলভিন ব্র্যাগ জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ড ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের মানসিক সুস্থতাকে বিঘ্নিত করে। তিনি ভুক্তভোগীদের সহায়তার জন্য অফিসের সাইবার ক্রাইম ব্যুরোর সাথে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অভিযান ও তদন্ত প্রক্রিয়া

নিউইয়র্কের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী এই ওয়েবসাইটগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সাইটগুলোতে প্রবেশ করলে এখন ‘এই ডোমেইনটি জব্দ করা হয়েছে’ মর্মে একটি নোটিশ দেখাচ্ছে। এই ওয়েবসাইটগুলোর মূল হোতাদের শনাক্ত করতে এবং ভিডিও আপলোডকারীদের ধরতে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গবেষণা ও বাস্তবতা

গবেষণায় দেখা গেছে, এসব সাইটে ভিডিওগুলো কয়েক মিনিট দীর্ঘ ছিল এবং এডিটিংয়ের মাধ্যমে অরিজিনাল পর্নোগ্রাফিক ভিডিওতে পরিচিত ব্যক্তিদের মুখ বসিয়ে দেওয়া হতো। আমেরিকান সানলাইট প্রজেক্টের গবেষক বেঞ্জামিন শুলজ জানিয়েছেন, জব্দ হওয়া অন্তত দুটি ওয়েবসাইটে নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছিল। তার গবেষণা অনুযায়ী, এসব সাইটে ৫৬ জন ইউরোপীয়, ১৬ জন মার্কিন এবং দুইজন ব্রিটিশ রাজনীতিকের ডিপফেক কনটেন্ট পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত

ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগের গবেষক লিওনি ওহমিগ এই পদক্ষেপকে একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ডিপফেক শিল্পের এই বিশাল নেটওয়ার্ক ভাঙতে শুধুমাত্র ওয়েবসাইট বন্ধ করাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে জড়িত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, পেমেন্ট সিস্টেম এবং কনটেন্ট তৈরির টুলগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।