ঢাকাThursday , 20 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ভারতের বিউটি মার্কেটে অভাবনীয় জোয়ার, নেপথ্যে Gen Z


August 20, 2026 9:15 pm
Link Copied!

ভারতের মুম্বাইয়ে প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত যত্ন পণ্যের বাজারে বর্তমানে এক বড় ধরনের ব্যবসায়িক উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মূলত দেশটির জেন-জি প্রজন্মের চাহিদার কারণে ঘটছে। রেডসিয়ার এবং ফ্লিপকার্টের মতো প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এই শিল্পের প্রবৃদ্ধি ভারতের জিডিপির হারের চেয়েও দ্বিগুণ। ২০২৫ সালে এই বাজারের আকার প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার থাকলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে তা প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের হিড়িক

এই বাজারে বিদেশি বড় কোম্পানিগুলো বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে আমেরিকান কোম্পানি এস্টি লাউডার ভারতের ফরেস্ট এসেনশিয়ালসকে পুরোপুরি কিনে নেয়। জুনে ফরাসি কোম্পানি লরিয়েল ডিজিটাল ব্র্যান্ড ইনোভিস্টের বড় অংশীদার হয়। এছাড়া ইউনিলিভারও তাদের ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমে ভারতে একাধিক বিনিয়োগ করেছে।

কেন বাড়ছে চাহিদা

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সহজলভ্যতা এই খাতের প্রসারে প্রধান ভূমিকা রাখছে। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ও ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে পণ্যের পরিচিতি সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। রেডসিয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রসাধনী কেনাকাটার প্রায় ৩৫ শতাংশ আসবে ই-কমার্স থেকে।

নতুন প্রজন্মের ভূমিকা

ব্যবসায়ী বৈশালী গুপ্তার মতে, কোভিড মহামারির পর মানুষের মধ্যে নিজের যত্নের প্রতি সচেতনতা বেড়েছে। এতে জেন-জি প্রজন্ম মিলিনিয়ালদের তুলনায় দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় করছে স্কিনকেয়ার বা প্রসাধনীতে। ফ্লিপকার্টের তথ্যে দেখা যায়, তাদের প্রসাধনী ক্রেতাদের ৫৬ শতাংশই জেন-জি এবং ৭০ শতাংশ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য খুঁজে নেয়।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রসাধনী খাতে জেন-জি ও জেন-আলফার ব্যয়ের হার ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ভারতের অন্তত ১০-১৫টি বিউটি ব্র্যান্ড ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে এই খাতে আইপিও এবং একীভূতকরণ বা অধিগ্রহণের প্রবণতা আরও বাড়বে।