যুক্তরাষ্ট্রের সৌন্দর্যবিষয়ক লেখক ক্যাটলিন ম্যাকলিন্টক জানিয়েছেন, ত্বকের যত্নে বর্তমানে বাড়িতে ব্যবহারযোগ্য ক্রায়োথেরাপি টুল বা ক্রায়ো টুল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব টুল ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকের তাপমাত্রা কমিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সতেজতা আনা সম্ভব। অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে প্রদাহ বা কালচে দাগ পড়া রোধ করতে এবং দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকার পর ত্বককে শান্ত করতে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মায়ামিভিত্তিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. লোরেটা সিরালডো জানান, ক্রায়োথেরাপি ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে কার্যকর। ২০০৮ সালের একটি গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, কোল্ড থেরাপি ত্বকের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তবে যাদের ঠান্ডাজনিত সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের এসব টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।
বাজারের সেরা কিছু ক্রায়ো টুল:
১. শার্ক বিউটি ক্রায়োগ্লো আন্ডার-আই কুলিং এবং এলইডি মাস্ক: এটি চোখের নিচের ফোলা ভাব কমাতে ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।
২. থেরাবডি থেরাফেস ডিপাফিং ওয়ান্ড: ত্বকের নমনীয়তা বাড়াতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এটি কার্যকর।
৩. অ্যাঞ্জেলা কাগলিয়া গোল্ড ক্রায়ো ফেশিয়াল সেট: জেল ভরা গোল্ড প্লেটেড এই টুল ত্বকের লোমকূপ ছোট করতে ও সতেজতা ফেরাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. স্ট্যাকড স্কিনকেয়ার ক্রায়ো স্কাল্পটিং আইস রোলার: লিম্ফেটিক ড্রেনেজ বা ত্বকের নিচে জমে থাকা তরল সরাতে এটি বিশেষভাবে তৈরি।
৫. নার্স জেমি সুপার-ক্রায়ো ম্যাসাজিং অর্র্ব: মুখ ও শরীরের যেকোনো অংশের ম্যাসাজ ও রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এটি উপযোগী।
ক্যাটলিন ম্যাকলিন্টক জানান, প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এই টুলগুলো পরীক্ষা করে দেখেছেন। মূলত নকশা, স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এসব টুল ব্যবহারের মাধ্যমে খুব সহজেই বাড়িতে বসে পেশাদার স্পা-এর মতো ত্বকের পরিচর্যা করা সম্ভব।