ঢাকাThursday , 24 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ক্রেটমের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ


September 24, 2026 2:00 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপির অক্সফোর্ডে মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্রেটম নামক পদার্থের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের দুটি ভিন্ন স্থানে ওই শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লাফায়েট কাউন্টি মেট্রো নারকোটিক্স বিভাগের তথ্যানুযায়ী, তদন্তের সময় ঘটনাস্থল থেকে খুচরা দোকান থেকে কেনা প্যাকেটজাত ক্রেটম জব্দ করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর পেছনে এই পদার্থের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ক্রেটম মূলত উদ্ভিদজাত একটি পদার্থ, যা বাজারে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক বা নেশা মুক্তির বিকল্প হিসেবে বিক্রি হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসের ‘নো ম্যাটার হোয়াট রিকভারি’র প্রধান ক্লিনিক্যাল কর্মকর্তা জেসিকা স্টেইনম্যানের মতে, এই পদার্থটি সাধারণ কম মাত্রায় উদ্দীপক হিসেবে কাজ করলেও উচ্চ মাত্রায় ওপিওডের মতো প্রভাব ফেলে, যা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

বর্তমানে গ্যাস স্টেশন বা স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকানের মতো বিভিন্ন জায়গায় ক্রেটম পাওয়া যাচ্ছে। জেসিকা স্টেইনম্যান সতর্ক করে বলেন, অনেকেই না বুঝে এর অতিরিক্ত সেবন করছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এর ব্যবহার বাড়ছে। অনেকেই পড়াশোনার চাপ কাটাতে বা পড়াশোনার সময় সতর্ক থাকতে উদ্দীপক হিসেবে এটি ব্যবহার করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রেটমের সাথে অ্যালকোহল, মারিজুয়ানা বা বেনজোডায়াজেপিনের মতো অন্য কোনো পদার্থের মিশ্রণ ঘটালে তা প্রাণঘাতী হতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে এই পদার্থে আসক্তি তৈরি হতে পারে এবং হঠাত্ ব্যবহার বন্ধ করলে খিঁচুনির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বাজারজাতকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বলছেন, বাজারে থাকা সাধারণ ক্রেটম এবং কৃত্রিম উপায়ে তৈরি বা ঘন করা ‘সেভেন-ওএইচ’ (7-OH) উপাদানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো মূলত এই উচ্চমাত্রার কৃত্রিম উপাদানের বিষয়ে বেশি নজর দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আরও কঠোর জাতীয় নীতিমালা, সঠিক পরীক্ষাকরণ এবং বয়সসীমা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।