ঢাকাFriday , 7 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কানাইলাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা পরিদর্শন ডিসির, মিউজিয়াম তৈরির আশ্বাস


August 7, 2026 8:45 am
Link Copied!

বাংলাদেশের ফরিদপুরের নগরকান্দায় কিংবদন্তি দোতারা বাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকশিল্পী কানাইলাল শীলের জন্মভিটা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম। গণমাধ্যমে শিল্পীর জন্মভিটার অবহেলার চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসন এই উদ্যোগ নিয়েছে। শিল্পীর স্মৃতি ধরে রাখতে সেখানে মিউজিয়ামসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে অবস্থিত শিল্পীর বাড়ি পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরিদর্শনকালে শিল্পীর বাড়িতে যাতায়াতের জন্য উন্নত সড়ক নির্মাণ, একটি সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ এবং ব্যবহৃত স্মারক সংরক্ষণের জন্য আধুনিক মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য ইউএনওকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, কানাইলাল শীল কেবল ফরিদপুর বা বাংলাদেশের নয়, পুরো উপমহাদেশের লোকসংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। বিষয়টিকে একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

স্থানীয় দোতারা ও বাঁশিবাদক নূহ আমিনুর রহমান মিন্টু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি জানানো হচ্ছিল। সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের দ্রুত সাড়া পাওয়াটা অত্যন্ত ইতিবাচক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এটি লোকসংগীত গবেষণা ও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।