ইসলামে বিনয়ী মুমিন হওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ বিনয় মানুষকে আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান এবং মানুষের কাছে প্রিয় করে তোলে। লেখক ও গবেষক রায়হান আল ইমরান মানুষের চরিত্র গঠনে বিনয়ের ভূমিকা এবং তা অর্জনের উপায়গুলো বর্ণনা করেছেন। মানুষের অহংকার দূর করে বিনয়ী হয়ে উঠতে এই অভ্যাসগুলো পালন করা অত্যন্ত জরুরি।
১. নেয়ামতকে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসেবে গ্রহণ করা: মানুষের জ্ঞান, সম্পদ ও ক্ষমতার উৎস মহান আল্লাহ—এই বিশ্বাস গভীরভাবে লালন করলে মনে কৃতজ্ঞতা তৈরি হয়, যা অহংকার দূর করে বিনয় বাড়ায়।
২. অপরের সেবা করা: কাজের মাধ্যমে বিনয় প্রকাশ পায়। রাসুল (সা.)-এর অনুকরণে অসুস্থদের সেবা, দরিদ্রদের সাহায্য এবং প্রতিদানের আশা ছাড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করা হৃদয়কে কোমল করে।
৩. বিনয়ী মানুষের সান্নিধ্য: মানুষের চরিত্র তার সঙ্গীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই সৎ, তাকওয়াবান ও বিনয়ী মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা চরিত্র সংশোধনে বড় ভূমিকা রাখে।
৪. ভুল স্বীকার ও ক্ষমা চাওয়া: ভুল করা মানুষের স্বভাবজাত। একজন বিনয়ী মুমিন ভুল করলে তা স্বীকার করেন এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে সংশোধনের চেষ্টা করেন।
৫. মৃত্যুকে স্মরণ করা: মৃত্যুকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করলে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সম্পদ ও ক্ষমতার মোহ কমে যায়, ফলে অহংকার থেকে দূরে থাকা সহজ হয়।
৬. আল্লাহর কাছে দোয়া করা: অন্তরের পরিবর্তনের মালিক আল্লাহ। তাই বিনয়ী ও উত্তম চরিত্র লাভের জন্য নিয়মিত আল্লাহর কাছে সাহায্য ও তৌফিক প্রার্থনা করা প্রয়োজন।