ঢাকাThursday , 27 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

১৯০ বছরের পুরনো ডিএনএ বিশ্লেষণে হিমালয়ে নতুন প্রজাতির প্যাঙ্গোলিন শনাক্ত


August 27, 2026 2:45 am
Link Copied!

নেপাল এবং উত্তর ভারতের পাহাড়ি এলাকায় অস্তিত্ব থাকা একটি নতুন প্রজাতির প্যাঙ্গোলিন শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। ফিল্ড মিউজিয়ামের বিজ্ঞানীরা ১৯০ বছরের পুরনো একটি জাদুঘর নমুনার ডিএনএ বিশ্লেষণ করে এই নতুন প্রজাতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই আবিষ্কার বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পাচার হওয়া এই প্রাণীটিকে বিলুপ্তির ঝুঁকি থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এই নতুন প্রজাতিটির নাম দিয়েছেন ম্যানিস অরিটা (Manis aurita)। গবেষকদের মতে, এই প্রজাতিটি এতদিন ভুলবশত চীনা প্যাঙ্গোলিনের উপপ্রজাতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। কিন্তু আধুনিক জিনতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, হিমালয় অঞ্চলে বসবাসকারী এই প্যাঙ্গোলিন একটি স্বতন্ত্র প্রজাতি।

গবেষণাটির গুরুত্ব তুলে ধরে ফিল্ড মিউজিয়ামের ম্যামালস বিভাগের সহকারী কিউরেটর অ্যান্ডারসন ফেইজো জানান, আমরা যা চিনি না তাকে সুরক্ষা দেওয়া অসম্ভব। এখন এই প্রজাতির অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়ার ফলে তাদের সংরক্ষণের জন্য সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা সহজ হবে।

এই গবেষণায় গবেষকরা ১৮৩৬ সালের একটি ঐতিহাসিক নমুনা ব্যবহার করেছেন। লন্ডন ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে সংরক্ষিত ওই নমুনা থেকে সফলভাবে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে হিমালয়ের প্যাঙ্গোলিন এবং অন্যান্য প্রজাতিগুলোর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে।

বর্তমানে প্যাঙ্গোলিনের আঁশ অবৈধভাবে পাচার করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গবেষকরা বলছেন, ডিএনএ বিশ্লেষণের এই নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে পাচার হওয়া আঁশের উৎস এবং প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি চোরাকারবারিদের শনাক্ত করতে এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে কেন পাচার বাড়ছে তা বুঝতে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করবে।

নতুন এই তথ্য একইসঙ্গে কৃত্রিম প্রজনন ও বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কর্মসূচিতেও সহায়ক হবে। অতীতে ভুল প্রজাতিকে ভুল অঞ্চলে ছেড়ে দেওয়ার ঝুঁকি ছিল, যা এই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের মাধ্যমে এখন এড়ানো সম্ভব হবে। এই গবেষণার ফলাফল কমিউনিকেশনস বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।